ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর জেলা শহরে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি বেসরকারি ক্লিনিককে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো ও জান্নাতুল সুলতানা।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামের ঘাটতি, সার্বক্ষণিক নিবন্ধিত চিকিৎসক না থাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, প্যাথলজিস্ট ও টেকনিশিয়ান ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার প্রমাণ মেলে।

 

এসব অপরাধে শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি হাসপাতাল ‘নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল’কে এক লাখ টাকা এবং বেসরকারি ক্লিনিক ‘আলিফ ডিজিটাল ল্যাব’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো জানান, “লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া এবং দক্ষ টেকনিশিয়ান ও চিকিৎসকবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানকে চিকিৎসাসেবা চালাতে দেওয়া হবে না। ওটিতে পর্যাপ্ত সরঞ্জামের অভাব এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এবং চিকিৎসার নামে এই ধরণের অনিয়ম ও প্রতারণা বন্ধে প্রশাসনের এই বিশেষ অভিযান আগামীতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।”

ট্যাগ:

ফরিদপুরে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময়: ০৭:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুর জেলা শহরে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি বেসরকারি ক্লিনিককে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো ও জান্নাতুল সুলতানা।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামের ঘাটতি, সার্বক্ষণিক নিবন্ধিত চিকিৎসক না থাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, প্যাথলজিস্ট ও টেকনিশিয়ান ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার প্রমাণ মেলে।

 

এসব অপরাধে শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি হাসপাতাল ‘নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতাল’কে এক লাখ টাকা এবং বেসরকারি ক্লিনিক ‘আলিফ ডিজিটাল ল্যাব’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো জানান, “লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া এবং দক্ষ টেকনিশিয়ান ও চিকিৎসকবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানকে চিকিৎসাসেবা চালাতে দেওয়া হবে না। ওটিতে পর্যাপ্ত সরঞ্জামের অভাব এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এবং চিকিৎসার নামে এই ধরণের অনিয়ম ও প্রতারণা বন্ধে প্রশাসনের এই বিশেষ অভিযান আগামীতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।”