ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় প্রীতি গ্রুপে বিস্ফোরণ, ক্ষতিপূরণের দাবিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মানববন্ধন

আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানা প্রাঙ্গণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৯ জনের পরিবারের জন্য অবিলম্বে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, আহতদের সম্পূর্ণ চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন, নিহতদের পরিবারকে সরকারি অনুদান ও পুনর্বাসন এবং শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ও শোক র‍্যালি করেছেন শ্রমিক নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় জামগড়ার এফএনএফ ট্রেন্ড ফ্যাশন লিমিটেড (প্রীতি গ্রুপ) কারখানার প্রধান ফটকের সামনে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, আশুলিয়া থানা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে শুধু সহানুভূতি জানালেই হবে না, তাদের ন্যায্য ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে। একই সঙ্গে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

বক্তারা নিহতদের পরিবারকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহতদের বিনামূল্যে ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে এমন প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

ট্যাগ:

আশুলিয়ায় প্রীতি গ্রুপে বিস্ফোরণ, ক্ষতিপূরণের দাবিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মানববন্ধন

আপডেট সময়: ১১:১৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানা প্রাঙ্গণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৯ জনের পরিবারের জন্য অবিলম্বে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, আহতদের সম্পূর্ণ চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন, নিহতদের পরিবারকে সরকারি অনুদান ও পুনর্বাসন এবং শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ও শোক র‍্যালি করেছেন শ্রমিক নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় জামগড়ার এফএনএফ ট্রেন্ড ফ্যাশন লিমিটেড (প্রীতি গ্রুপ) কারখানার প্রধান ফটকের সামনে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, আশুলিয়া থানা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে শুধু সহানুভূতি জানালেই হবে না, তাদের ন্যায্য ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে। একই সঙ্গে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

বক্তারা নিহতদের পরিবারকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহতদের বিনামূল্যে ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে এমন প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।