ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হ/ত্যা মামলার আসামি হয়েও সাভার পৌরসভার মেডিকেল অফিসার বহাল তবিয়তে

সাভার পৌরসভার মেডিকেল অফিসার কাজী আয়েশা সিদ্দিকা বন্যা একজন সরকারি চাকরিজীবী হয়েও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সাভার পৌরসভা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদিকা পদ নিয়ে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে সাবেক এমপি ডাক্তার এনামুর রহমানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে নিজেকে ডাঃ এনামের আস্থাভাজন হিসেবে জাহির করে নানা ধরনের সুবিধা ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে কাজী আয়েশা সিদ্দিকা বন্যার বিরুদ্ধে।

গত ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের হয়ে ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরব ছিলেন রাজপথে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের উপর হামলাসহ পরস্পর যোগসাজসে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট, রক্তাক্ত যখম করার অপরাধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের খেজুরটেক এলাকার মোঃ ইসলাম সজল।
ওই মামলায় ১৩নং আসামি হয়েও ডাক্তার কাজী আয়েশা সিদ্দিকা (বন্যা) সে সাভার পৌরসভার মেডিকেল অফিসার হিসেবে এখনো স্বপদে বহাল তবিয়তে আছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনসহ তাকে অবিলম্বে চাকুরীচ্যুতি এবং গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

ট্যাগ:

হ/ত্যা মামলার আসামি হয়েও সাভার পৌরসভার মেডিকেল অফিসার বহাল তবিয়তে

আপডেট সময়: ০৫:৫০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

সাভার পৌরসভার মেডিকেল অফিসার কাজী আয়েশা সিদ্দিকা বন্যা একজন সরকারি চাকরিজীবী হয়েও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সাভার পৌরসভা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদিকা পদ নিয়ে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে সাবেক এমপি ডাক্তার এনামুর রহমানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে নিজেকে ডাঃ এনামের আস্থাভাজন হিসেবে জাহির করে নানা ধরনের সুবিধা ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে কাজী আয়েশা সিদ্দিকা বন্যার বিরুদ্ধে।

গত ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের হয়ে ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরব ছিলেন রাজপথে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের উপর হামলাসহ পরস্পর যোগসাজসে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট, রক্তাক্ত যখম করার অপরাধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের খেজুরটেক এলাকার মোঃ ইসলাম সজল।
ওই মামলায় ১৩নং আসামি হয়েও ডাক্তার কাজী আয়েশা সিদ্দিকা (বন্যা) সে সাভার পৌরসভার মেডিকেল অফিসার হিসেবে এখনো স্বপদে বহাল তবিয়তে আছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনসহ তাকে অবিলম্বে চাকুরীচ্যুতি এবং গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।