ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খোলা জ্বালানি তেল বিক্রয়ের বিরুদ্ধে হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের অভিযান

কেরানীগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া বাজার এলাকায় অবৈধভাবে খোলা (লুজ) জ্বালানি তেল বিক্রয়ের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গতকাল ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ১৯৩০ ঘটিকা থেকে রাত ২২৩০ ঘটিকা পর্যন্ত কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কলাতিয়া বাজার এলাকায় হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্প কর্তৃক নিয়মিত টহল চলাকালে অবৈধভাবে খোলা অকটেন মজুত ও বিক্রির কার্যক্রম শনাক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে ঘটনাস্থলে কেরানীগঞ্জের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট চলাকালীন তিনটি পৃথক দোকান থেকে সর্বমোট ১২৬৩ লিটার খোলা অকটেন উদ্ধার করা হয়। অভিযানে অভিযুক্ত দোকান মালিকদের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রয়ের নির্দেশ প্রদান করা হয়।

অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান ও এলাকা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বেসামরিক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
জনস্বার্থে অবৈধ জ্বালানি ব্যবসার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ:

খোলা জ্বালানি তেল বিক্রয়ের বিরুদ্ধে হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের অভিযান

আপডেট সময়: ০৪:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

কেরানীগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া বাজার এলাকায় অবৈধভাবে খোলা (লুজ) জ্বালানি তেল বিক্রয়ের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গতকাল ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ১৯৩০ ঘটিকা থেকে রাত ২২৩০ ঘটিকা পর্যন্ত কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কলাতিয়া বাজার এলাকায় হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্প কর্তৃক নিয়মিত টহল চলাকালে অবৈধভাবে খোলা অকটেন মজুত ও বিক্রির কার্যক্রম শনাক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে ঘটনাস্থলে কেরানীগঞ্জের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট চলাকালীন তিনটি পৃথক দোকান থেকে সর্বমোট ১২৬৩ লিটার খোলা অকটেন উদ্ধার করা হয়। অভিযানে অভিযুক্ত দোকান মালিকদের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রয়ের নির্দেশ প্রদান করা হয়।

অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান ও এলাকা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বেসামরিক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
জনস্বার্থে অবৈধ জ্বালানি ব্যবসার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।