ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন, অপেক্ষায় পর্যটকরা

পর্যটকদের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিন। নভেম্বর থেকে দ্বীপটিতে পর্যটকদের যাতায়াতের অনুমতি দেওয়ার খবরে ভ্রমণপিপাসুদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আগ্রহ ও উৎসাহ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। তবে দ্বীপে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা, জাহাজ চলাচলের সময়সূচি ও পরিবেশ সংরক্ষণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।

 

সেন্টমার্টিনের নীল জলরাশি, প্রবাল, নারিকেলগাছের সারি ও মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতিবছর দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ার খবরে অনেকেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে দ্বীপটি ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করছেন। পর্যটকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে জাহাজ চলাচল, টিকিট ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও পর্যটনসেবার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর প্রস্তুতি প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।

 

ঢাকার এক পর্যটক বলেন, অনেক দিন ধরে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। নভেম্বর থেকে যাওয়ার সুযোগ পেলে পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাব। তবে জাহাজের টিকিট সহজে পাওয়া এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকা জরুরি।

 

আরেক পর্যটক তুহিন আহমেদ বলেন, সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কাছ থেকে দেখার ইচ্ছা অনেক দিনের। তবে ভ্রমণের খরচ যেন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে এবং হোটেল-রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

 

পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন মৌসুমে দ্বীপের স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসতে পারে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও পর্যটকসেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তে পারে। তবে পর্যটকের চাপ সামলাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

 

সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে পর্যটন পরিচালনা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তাই সরকারি বিধিনিষেধ মেনে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ভ্রমণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন পর্যটকেরা

ট্যাগ:

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন, অপেক্ষায় পর্যটকরা

আপডেট সময়: ০৪:২১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পর্যটকদের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিন। নভেম্বর থেকে দ্বীপটিতে পর্যটকদের যাতায়াতের অনুমতি দেওয়ার খবরে ভ্রমণপিপাসুদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আগ্রহ ও উৎসাহ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। তবে দ্বীপে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা, জাহাজ চলাচলের সময়সূচি ও পরিবেশ সংরক্ষণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।

 

সেন্টমার্টিনের নীল জলরাশি, প্রবাল, নারিকেলগাছের সারি ও মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতিবছর দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ার খবরে অনেকেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে দ্বীপটি ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করছেন। পর্যটকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে জাহাজ চলাচল, টিকিট ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও পর্যটনসেবার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর প্রস্তুতি প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।

 

ঢাকার এক পর্যটক বলেন, অনেক দিন ধরে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। নভেম্বর থেকে যাওয়ার সুযোগ পেলে পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাব। তবে জাহাজের টিকিট সহজে পাওয়া এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকা জরুরি।

 

আরেক পর্যটক তুহিন আহমেদ বলেন, সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কাছ থেকে দেখার ইচ্ছা অনেক দিনের। তবে ভ্রমণের খরচ যেন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে এবং হোটেল-রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

 

পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন মৌসুমে দ্বীপের স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসতে পারে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও পর্যটকসেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তে পারে। তবে পর্যটকের চাপ সামলাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

 

সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে পর্যটন পরিচালনা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তাই সরকারি বিধিনিষেধ মেনে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ভ্রমণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন পর্যটকেরা