ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন একই স্থানে কর্মরত থাকায় তিনি একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

 

​ট্রেড লাইসেন্স ও কর জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে যাচ্ছে।  গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘আনায়া সোয়েটার লিমিটেড’ থেকে ২০,০০০ টাকা গ্রহণ করে সরকারি কোষাগারে মাত্র ৫,২৩০ টাকা জমা দেন এবং বাকি ১৪,৭৭০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

 

একই দিনে ‘কিন এক্সেসরিজ’ থেকে ৬০,০০০ টাকা নিয়ে সরকারি রশিদে ১০,২৩০ টাকা দেখিয়ে ৪৯,৭৭০ টাকা পকেটস্থ করেন। এছাড়া ‘ভার্চুয়াল বটমস লিমিটেড’ থেকে ভুয়া বিলে ৯০,০০০ টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন মাত্র ৫,২৩০ টাকা।

 

​এছাড়াও অন্যান্য সেবা খাতে ঘুষ গ্রহণ, নতুন ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশান ও নাগরিকত্ব সনদ প্রদানে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

 

​নিজ ব্যক্তিগত ড্রাইভার মো: মোফাজ্জল হোসেনের নামে ‘এবি বিল্ডার্স’ (লাইসেন্স নং-০৩৫৮১৯) নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলে ইউনিয়নের বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প বানিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করছেন।

অবৈধ অর্থ লেনদেনের সহযোগী হিসেবে আনোয়ার ও মিরাজ নামের দুজন ব্যক্তিগত লোককে ইউনিয়ন পরিষদে বসিয়েছেন। দুর্নীতির মাধ্যমে আফজাল হোসেন একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও গাড়ির মালিক হয়েছেন।

​অভিযোগের বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধানী তদন্তের মাধ্যমে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর নির্ধারণ ও প্রকল্পগুলোর কাগজপত্র যাচাই করলে তার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ:

আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময়: ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন একই স্থানে কর্মরত থাকায় তিনি একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

 

​ট্রেড লাইসেন্স ও কর জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে যাচ্ছে।  গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘আনায়া সোয়েটার লিমিটেড’ থেকে ২০,০০০ টাকা গ্রহণ করে সরকারি কোষাগারে মাত্র ৫,২৩০ টাকা জমা দেন এবং বাকি ১৪,৭৭০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

 

একই দিনে ‘কিন এক্সেসরিজ’ থেকে ৬০,০০০ টাকা নিয়ে সরকারি রশিদে ১০,২৩০ টাকা দেখিয়ে ৪৯,৭৭০ টাকা পকেটস্থ করেন। এছাড়া ‘ভার্চুয়াল বটমস লিমিটেড’ থেকে ভুয়া বিলে ৯০,০০০ টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন মাত্র ৫,২৩০ টাকা।

 

​এছাড়াও অন্যান্য সেবা খাতে ঘুষ গ্রহণ, নতুন ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশান ও নাগরিকত্ব সনদ প্রদানে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

 

​নিজ ব্যক্তিগত ড্রাইভার মো: মোফাজ্জল হোসেনের নামে ‘এবি বিল্ডার্স’ (লাইসেন্স নং-০৩৫৮১৯) নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলে ইউনিয়নের বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প বানিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করছেন।

অবৈধ অর্থ লেনদেনের সহযোগী হিসেবে আনোয়ার ও মিরাজ নামের দুজন ব্যক্তিগত লোককে ইউনিয়ন পরিষদে বসিয়েছেন। দুর্নীতির মাধ্যমে আফজাল হোসেন একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও গাড়ির মালিক হয়েছেন।

​অভিযোগের বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধানী তদন্তের মাধ্যমে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর নির্ধারণ ও প্রকল্পগুলোর কাগজপত্র যাচাই করলে তার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।