ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপরাধী চক্র দমনে ২৪ বছর পর ফিরছে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’! 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধী চক্রের তৎপরতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। এতে ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কঠোর কোনো অভিযান হতে যাচ্ছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে নতুন কোনো অভিযানের নাম বা কাঠামো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

 

২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ পরিচালিত হয়েছিল।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও আদাবরসহ কয়েকটি এলাকায় সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের তৎপরতা বেড়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে। এসব এলাকায় চিহ্নিত অপরাধীদের গতিবিধির ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

 

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক এলাকা, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান ও আদাবরের শ্যামলী হাউজিংসহ কয়েকটি এলাকায় অপরাধী চক্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা মদদদাতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ:

অপরাধী চক্র দমনে ২৪ বছর পর ফিরছে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’! 

আপডেট সময়: ০৯:১৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধী চক্রের তৎপরতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। এতে ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কঠোর কোনো অভিযান হতে যাচ্ছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে নতুন কোনো অভিযানের নাম বা কাঠামো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

 

২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ পরিচালিত হয়েছিল।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও আদাবরসহ কয়েকটি এলাকায় সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের তৎপরতা বেড়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে। এসব এলাকায় চিহ্নিত অপরাধীদের গতিবিধির ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

 

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক এলাকা, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান ও আদাবরের শ্যামলী হাউজিংসহ কয়েকটি এলাকায় অপরাধী চক্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা মদদদাতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।