ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য ধ্যান মন্দির উদ্বোধন

ঢাকা জেলার সাভার উপলোর পৌর এলাকার নামাবাজার সংলগ্ন শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ও পঞ্চবটী আশ্রমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রথম ধ্যান মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ২০২৬ ইং তারিখে ভোর ৬.০১ মিনিটে ধ্যান মন্দিরের উদ্দোক্তা নিউজ পোর্টাল “তাজা খবর” এর সম্পাদক ও আশ্রম কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তপু ঘোষাল আশ্রম কমিটির সভাপতি বাবু বৈদ‌্যনাথ সাহা, সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণদাশ ঘোষ কাঞ্চন, যুগ্ম সম্পাদক তাপস চক্রবর্তী, দপ্তর সম্পাদক বিকাশ ঘোষ, প্রচার সম্পাদক লোকনাথ ঘোষ ও সদস্য পলাশ সহ অন্যান্যদের সাথে নিয়ে শঙ্খধ্বনী ও ধ্যানের মাধ্যমে ধ্যান মন্দিরটি উদ্ধোধন করেন।
ধ্যান মন্দিরের উদ্দোক্তা তপু ঘোষাল বলেন, দীর্ঘ্যদিন আমাদের পঞ্চবটী আশ্রমের এই মন্দিরটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল। তবে আমাদের মন্দির কমিটি এটা ভেঙ্গে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আমি শুনে এই পুরানো মন্দিরটি ভাঙ্গার পরিবর্তে সংস্কার এর উদ্যোগ গ্রহন করি এবং ধ্যান মন্দির করার সিদ্ধান্ত নেই। পরে আমার সাথে অনেকেই একাত্মতা প্রকাশ করেন। পরে নিজেই মন্দিরে ভিতরে জমে থাকা পুরানো ময়লা পস্কিার করে ধুয়ে মুছে ছাপ করেছি। মনকে শান্ত, একাগ্র ও সচেতন করার একটি প্রাচীন পদ্ধতি হল ধ্যান। যা মানসিক চাপ কমিয়ে আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করে। গভীর বিশ্রামের মাধ্যমে মনের অস্থিরতা দূর করে এবং ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি করে। নিয়মিত ধ্যানের মাধ্যমে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও অনিদ্রা দূর করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ মিনিট নিয়মিত ধ্যান করা প্রয়োজন।
মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু বৈদ‌্যনাথ সাহা বলেন, তপুকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। তপুর কারণে সাভারের তীর্থক্ষেত্র খ‌্যাত সাভার পঞ্চবটী আশ্রমে একটি ধ্যানের মন্দির হল। আমি নিজেও প্রতিদিন আন্তত দু’বেলা ধ্যান করতে চেষ্টা করব।
মন্দরি কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন ঘোষ বলেন, তপু যে কাজটি করেছে তাতে আমি সাধুবাদ জানাই। মনকে রিফ্রেস করার জন্য আমাদের প্রতিটি মানুষেরই ধ্যান করা প্রয়োজন। মন্দিরে ধ্যান করার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধ্যান মন্দিরটি সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য উন্মুক্ত। তবে মন্দিরটি দু’ইবেলা ধ্যান করার জন্য খোলা থাকবে।
মন্দির কমিটির যুগ্ম সম্পাদক তাপস চক্রবর্তী বলেন, তপু আমার ভাগিনা ওর পাগলামীকে আমি সাধুবাদ জানাই। সাভারে একটা ধ্যান মন্দিরের প্রয়োজন ছিল। যা তপুর উদ্যোগে হয়েছে।
মন্দির কমিটির দপ্তর সম্পাদক বিকাশ ঘোষ বলেন, তপু আমার আদরের ছোট ভাই, ওর এই মহৎ উদ্যেগকে আমি স্বাগত জানাই। ওর কারনেই পুরানো মন্দিরটি প্রাণ ফিরে পেয়ে ধ্যান মন্দিরে রুপান্তরিত হয়েছে।
মন্দির কমিটির প্রচার সম্পাদক লোকনাথ ঘোষ বলেন, দাদার এই মহৎ উদ্যেগে আমি অত্যান্ত আনন্দিত। যখন দেখি সন্ধ্যায় জরাজীর্ণ মন্দিরটিতে ভক্তদের আনাগোনায় মুখরিত তখন আনন্দে বুকটা এমনিতেই ভরে উঠে।
ট্যাগ:

সাভারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য ধ্যান মন্দির উদ্বোধন

আপডেট সময়: ০৮:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
ঢাকা জেলার সাভার উপলোর পৌর এলাকার নামাবাজার সংলগ্ন শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ও পঞ্চবটী আশ্রমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রথম ধ্যান মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ২০২৬ ইং তারিখে ভোর ৬.০১ মিনিটে ধ্যান মন্দিরের উদ্দোক্তা নিউজ পোর্টাল “তাজা খবর” এর সম্পাদক ও আশ্রম কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তপু ঘোষাল আশ্রম কমিটির সভাপতি বাবু বৈদ‌্যনাথ সাহা, সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণদাশ ঘোষ কাঞ্চন, যুগ্ম সম্পাদক তাপস চক্রবর্তী, দপ্তর সম্পাদক বিকাশ ঘোষ, প্রচার সম্পাদক লোকনাথ ঘোষ ও সদস্য পলাশ সহ অন্যান্যদের সাথে নিয়ে শঙ্খধ্বনী ও ধ্যানের মাধ্যমে ধ্যান মন্দিরটি উদ্ধোধন করেন।
ধ্যান মন্দিরের উদ্দোক্তা তপু ঘোষাল বলেন, দীর্ঘ্যদিন আমাদের পঞ্চবটী আশ্রমের এই মন্দিরটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল। তবে আমাদের মন্দির কমিটি এটা ভেঙ্গে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আমি শুনে এই পুরানো মন্দিরটি ভাঙ্গার পরিবর্তে সংস্কার এর উদ্যোগ গ্রহন করি এবং ধ্যান মন্দির করার সিদ্ধান্ত নেই। পরে আমার সাথে অনেকেই একাত্মতা প্রকাশ করেন। পরে নিজেই মন্দিরে ভিতরে জমে থাকা পুরানো ময়লা পস্কিার করে ধুয়ে মুছে ছাপ করেছি। মনকে শান্ত, একাগ্র ও সচেতন করার একটি প্রাচীন পদ্ধতি হল ধ্যান। যা মানসিক চাপ কমিয়ে আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করে। গভীর বিশ্রামের মাধ্যমে মনের অস্থিরতা দূর করে এবং ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি করে। নিয়মিত ধ্যানের মাধ্যমে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও অনিদ্রা দূর করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ মিনিট নিয়মিত ধ্যান করা প্রয়োজন।
মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু বৈদ‌্যনাথ সাহা বলেন, তপুকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। তপুর কারণে সাভারের তীর্থক্ষেত্র খ‌্যাত সাভার পঞ্চবটী আশ্রমে একটি ধ্যানের মন্দির হল। আমি নিজেও প্রতিদিন আন্তত দু’বেলা ধ্যান করতে চেষ্টা করব।
মন্দরি কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন ঘোষ বলেন, তপু যে কাজটি করেছে তাতে আমি সাধুবাদ জানাই। মনকে রিফ্রেস করার জন্য আমাদের প্রতিটি মানুষেরই ধ্যান করা প্রয়োজন। মন্দিরে ধ্যান করার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধ্যান মন্দিরটি সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য উন্মুক্ত। তবে মন্দিরটি দু’ইবেলা ধ্যান করার জন্য খোলা থাকবে।
মন্দির কমিটির যুগ্ম সম্পাদক তাপস চক্রবর্তী বলেন, তপু আমার ভাগিনা ওর পাগলামীকে আমি সাধুবাদ জানাই। সাভারে একটা ধ্যান মন্দিরের প্রয়োজন ছিল। যা তপুর উদ্যোগে হয়েছে।
মন্দির কমিটির দপ্তর সম্পাদক বিকাশ ঘোষ বলেন, তপু আমার আদরের ছোট ভাই, ওর এই মহৎ উদ্যেগকে আমি স্বাগত জানাই। ওর কারনেই পুরানো মন্দিরটি প্রাণ ফিরে পেয়ে ধ্যান মন্দিরে রুপান্তরিত হয়েছে।
মন্দির কমিটির প্রচার সম্পাদক লোকনাথ ঘোষ বলেন, দাদার এই মহৎ উদ্যেগে আমি অত্যান্ত আনন্দিত। যখন দেখি সন্ধ্যায় জরাজীর্ণ মন্দিরটিতে ভক্তদের আনাগোনায় মুখরিত তখন আনন্দে বুকটা এমনিতেই ভরে উঠে।