ঢাকা ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাপলা চত্বর গণহত্যার বিচার দাবিতে সাভারে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল

২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে সাভারের রাজপথ। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) বাদ মাগরিব সাভার মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ‘সাভার-আশুলিয়া ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ছাত্রজনতা’র ব্যানারে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। কয়েক হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিছিলটি এক গণসমাবেশে রূপ নেয়।
​মাগরিবের নামাজের পরপরই মডেল মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো প্রদক্ষিণ করে পাকিজা ইয়ামির চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে লেখা বিভিন্ন প্লাকার্ড ও ফেস্টুন। এসময় “শাপলা চত্বরের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না” এবং “গণহত্যার বিচার চাই” স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। ​মিছিল পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও শাপলা চত্বরের সেই নৃশংস গণহত্যার প্রকৃত বিচার আজ অবধি নিশ্চিত করা হয়নি। দোষীদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের আইনের আওতায় আনা সময়ের দাবি।” বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ছাত্র-জনতা ও ওলামায়ে কেরাম রাজপথ ছাড়বেন না। ​সাভার ও আশুলিয়া এলাকার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ ছাত্রসমাজের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। পুরো কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘অদম্য-২৪’। ​বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাভারের প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীদের সুশৃঙ্খল অবস্থানের কারণে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিটি সমাপ্ত হয়।
ট্যাগ:

শাপলা চত্বর গণহত্যার বিচার দাবিতে সাভারে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল

আপডেট সময়: ১০:০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে সাভারের রাজপথ। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) বাদ মাগরিব সাভার মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ‘সাভার-আশুলিয়া ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ছাত্রজনতা’র ব্যানারে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। কয়েক হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিছিলটি এক গণসমাবেশে রূপ নেয়।
​মাগরিবের নামাজের পরপরই মডেল মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো প্রদক্ষিণ করে পাকিজা ইয়ামির চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে লেখা বিভিন্ন প্লাকার্ড ও ফেস্টুন। এসময় “শাপলা চত্বরের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না” এবং “গণহত্যার বিচার চাই” স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। ​মিছিল পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও শাপলা চত্বরের সেই নৃশংস গণহত্যার প্রকৃত বিচার আজ অবধি নিশ্চিত করা হয়নি। দোষীদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের আইনের আওতায় আনা সময়ের দাবি।” বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ছাত্র-জনতা ও ওলামায়ে কেরাম রাজপথ ছাড়বেন না। ​সাভার ও আশুলিয়া এলাকার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ ছাত্রসমাজের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। পুরো কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘অদম্য-২৪’। ​বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাভারের প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীদের সুশৃঙ্খল অবস্থানের কারণে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিটি সমাপ্ত হয়।