ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারের রাজাসনে মসজিদকে খানকা শরীফ রূপান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

সাভারের বিরুলিয়া রোডের রাজাশন গ্রামে অবস্থিত সুলতান আহমেদ জামে মসজিদকে খানকা শরীফে রূপান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।
আজ যোহর নামাজের পরে মসজিদ প্রাঙ্গণের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মসজিদের ইমাম, সভাপতি আবুল কাশেম, ৮ নং ওয়ার্ড কমিশনার পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান শহীদ,মুসল্লি এবং এলাকার সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে মসজিদটির স্বাভাবিক ধর্মীয় কার্যক্রম ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এটিকে খানকা শরীফে রূপান্তরের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করেছে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “এই মসজিদটি বহু বছর ধরে এলাকাবাসীর নামাজ আদায়ের একমাত্র কেন্দ্র। এটিকে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চেষ্টা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না।”
তারা দ্রুত এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, যাতে মসজিদের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ধর্মীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি সমাপ্ত করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
ট্যাগ:

সাভারের রাজাসনে মসজিদকে খানকা শরীফ রূপান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময়: ০৮:৪১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সাভারের বিরুলিয়া রোডের রাজাশন গ্রামে অবস্থিত সুলতান আহমেদ জামে মসজিদকে খানকা শরীফে রূপান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।
আজ যোহর নামাজের পরে মসজিদ প্রাঙ্গণের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মসজিদের ইমাম, সভাপতি আবুল কাশেম, ৮ নং ওয়ার্ড কমিশনার পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান শহীদ,মুসল্লি এবং এলাকার সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে মসজিদটির স্বাভাবিক ধর্মীয় কার্যক্রম ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এটিকে খানকা শরীফে রূপান্তরের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করেছে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “এই মসজিদটি বহু বছর ধরে এলাকাবাসীর নামাজ আদায়ের একমাত্র কেন্দ্র। এটিকে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চেষ্টা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না।”
তারা দ্রুত এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, যাতে মসজিদের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ধর্মীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি সমাপ্ত করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।