ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভার বাসস্ট্যান্ডে ফুটপাত দখলমুক্তের পর নতুন দখলচক্র ‘রেন্ট-এ-কার’

 সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান শেষ না হতেই নতুন করে দখলের অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু ‘রেন্ট-এ-কার’ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি প্রশাসনের উদ্যোগে হকারদের সরিয়ে ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও, সেই জায়গা এখন দখল করতে শুরু করেছে প্রভাবশালী একটি চক্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসস্ট্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে ‘রেন্ট-এ-কার’ ব্যবসার নামে গাড়ি পার্কিং, অস্থায়ী অফিস স্থাপন এবং যাত্রী টানাটানির মাধ্যমে ধীরে ধীরে দখল বিস্তার করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফুটপাত আবারও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রশাসনের নজর এড়িয়ে সংগঠিতভাবে এই দখল কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে প্রকাশ্যে ফুটপাত ও রাস্তার অংশ ব্যবহার করছে, যা ট্রাফিক ব্যবস্থাকেও ব্যাহত করছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়গুলোতে যানজট তীব্র আকার ধারণ করছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, হকার উচ্ছেদের মাধ্যমে যে সুফল পাওয়া গিয়েছিল, তা খুব দ্রুতই ম্লান হয়ে যাচ্ছে নতুন দখলদারদের কারণে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এই অবৈধ দখল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
ট্যাগ:

সাভার বাসস্ট্যান্ডে ফুটপাত দখলমুক্তের পর নতুন দখলচক্র ‘রেন্ট-এ-কার’

আপডেট সময়: ১০:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
 সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান শেষ না হতেই নতুন করে দখলের অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু ‘রেন্ট-এ-কার’ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি প্রশাসনের উদ্যোগে হকারদের সরিয়ে ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও, সেই জায়গা এখন দখল করতে শুরু করেছে প্রভাবশালী একটি চক্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসস্ট্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে ‘রেন্ট-এ-কার’ ব্যবসার নামে গাড়ি পার্কিং, অস্থায়ী অফিস স্থাপন এবং যাত্রী টানাটানির মাধ্যমে ধীরে ধীরে দখল বিস্তার করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফুটপাত আবারও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রশাসনের নজর এড়িয়ে সংগঠিতভাবে এই দখল কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে প্রকাশ্যে ফুটপাত ও রাস্তার অংশ ব্যবহার করছে, যা ট্রাফিক ব্যবস্থাকেও ব্যাহত করছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়গুলোতে যানজট তীব্র আকার ধারণ করছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, হকার উচ্ছেদের মাধ্যমে যে সুফল পাওয়া গিয়েছিল, তা খুব দ্রুতই ম্লান হয়ে যাচ্ছে নতুন দখলদারদের কারণে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এই অবৈধ দখল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।