এসএসসি পরীক্ষার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে যখন সময়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তখনই শব্দদূষণের যন্ত্রণা হয়ে উঠেছিল এক মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রধান বাধা। কিন্তু হাল ছাড়েননি তিনি,নিজ উদ্যোগেই ফোন করলেন সংসদ সদস্যকে। আর তাতেই বদলে গেল পরিস্থিতি।
আশুলিয়ার ইসলাম নগর এলাকায় বসবাসকারী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী ইসরাত জাহান আনিশা দীর্ঘদিন ধরে পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারছিলেন না। কারণ, তার পড়ার ঘরের পাশেই একটি ফার্নিচার কারখানা,যেখানে দিন-রাত মেশিনের বিকট শব্দ চলত অবিরাম।
পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি। অবশেষে নিজেই উদ্যোগ নেন আনিশা। সংগ্রহ করেন সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন-এর মোবাইল নম্বর এবং সরাসরি জানান নিজের সমস্যার কথা।
ঘটনা শুনেই দেরি করেননি সংসদ সদস্য। শনিবার সন্ধ্যার পর তিনি নিজেই উপস্থিত হন আনিশার বাসার সামনে ওই ফার্নিচার দোকানে। সঙ্গে ডেকে নেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি দলকে।
দোকানেই বসে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন এমপি। এ সময় আনিশার মা মোবাশ্বেরা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে প্রতিটি ক্লাসে প্রথম হতো। কিন্তু কয়েক মাস ধরে এই শব্দদূষণের কারণে তার ফলাফলে ধীরে ধীরে অবনতি হচ্ছে। এখন সে পড়াশোনায় মনোযোগই দিতে পারছে না।
অভিযোগের সত্যতা পেয়ে সংসদ সদস্য বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেন। ইসলাম নগর বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বিষয়টি মীমাংসার দায়িত্ব দিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেন তিনি।
রাউফুর রহমান পরাগ : 










