ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারের হকার্স লীগের সহ-সভাপতি রানা মিয়া এখন শ্রমিক দলের নেতা

সাভার পৌর শ্রমিক দলে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সাভারের নীহারিকা হোটেলের মালিক মোঃ রানা মিয়া, যিনি দীর্ঘদিন ধরে হকার্স লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তাকে সম্প্রতি সাভার পৌর শ্রমিক দলের সহ-কোষাধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিক সংগঠনের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে—যারা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, তাদের কেন শ্রমিক দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে।
স্থানীয় শ্রমিকদের একটি অংশের দাবি, এ ধরনের সিদ্ধান্ত শ্রমিক সংগঠনের আদর্শ ও ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাদের মতে, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের সংগঠনে এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি সংগঠনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
একাধিক শ্রমিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা চাই সাভার পৌর শ্রমিক দল হোক আওয়ামী লীগের দালালমুক্ত একটি শক্তিশালী শ্রমিক সংগঠন। এখানে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি বা সুবিধাবাদীদের স্থান হওয়া উচিত নয়।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সাভারের রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে স্বচ্ছতা ও ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করা জরুরি।
শ্রমিকদের দাবি, প্রকৃত শ্রমিক ও ত্যাগী কর্মীদের নেতৃত্বে একটি দালালমুক্ত, স্বচ্ছ ও গণমুখী সাভার পৌর শ্রমিক দল গড়ে তোলা হোক—যেখানে শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
ট্যাগ:

সাভারের হকার্স লীগের সহ-সভাপতি রানা মিয়া এখন শ্রমিক দলের নেতা

আপডেট সময়: ০৮:১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
সাভার পৌর শ্রমিক দলে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সাভারের নীহারিকা হোটেলের মালিক মোঃ রানা মিয়া, যিনি দীর্ঘদিন ধরে হকার্স লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তাকে সম্প্রতি সাভার পৌর শ্রমিক দলের সহ-কোষাধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিক সংগঠনের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে—যারা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, তাদের কেন শ্রমিক দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে।
স্থানীয় শ্রমিকদের একটি অংশের দাবি, এ ধরনের সিদ্ধান্ত শ্রমিক সংগঠনের আদর্শ ও ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাদের মতে, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের সংগঠনে এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি সংগঠনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
একাধিক শ্রমিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা চাই সাভার পৌর শ্রমিক দল হোক আওয়ামী লীগের দালালমুক্ত একটি শক্তিশালী শ্রমিক সংগঠন। এখানে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি বা সুবিধাবাদীদের স্থান হওয়া উচিত নয়।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সাভারের রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে স্বচ্ছতা ও ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করা জরুরি।
শ্রমিকদের দাবি, প্রকৃত শ্রমিক ও ত্যাগী কর্মীদের নেতৃত্বে একটি দালালমুক্ত, স্বচ্ছ ও গণমুখী সাভার পৌর শ্রমিক দল গড়ে তোলা হোক—যেখানে শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।