
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ঈদের আগেই রমজানের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটও এই সময়ে করতে চায় কমিশন। বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন এবং ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভোট ঈদের পর করতে চায়। এরপর স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচন আয়োজন করতে চায় নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ইসির দায়িত্বশীল একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। সেদিনই শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিলে রাষ্ট্রপতি পরদিন সংসদ ভেঙে দেন। এরপর বিভিন্ন মহল থেকে আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকেও অপসারণের আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু সাংবিধানিক নানা কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়ার দিকে পা বাড়ায়নি ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ফের সেই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে রাষ্ট্রপ্রধান নিজেই ভোটের আগে গণমাধ্যমকে বলেছেন, তার আর ভালো লাগছে না। ভোটের পর হয়তো পদত্যাগ করবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘নির্বাচন হুট করে করা যায় না। এজন্য প্রস্তুতি দরকার হয়। রাষ্ট্রপতির পদ কখনো শূন্য রাখা যায় না। তাই কোনো কারণে পদটি শূন্য হলে আমাদের নির্বাচন করতে হবে।’
ইসির কর্মকর্তারা জানান, রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার তিনটি বিধান রয়েছে। পদের মেয়াদ, অভিশংসন ও অসামর্থ্যের কারণে পদত্যাগ।
রিপোর্টারের নাম 















