ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধ/র্ষ/ণে/র মামলার বাদীর বিরুদ্ধে মামলা

সাভারে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলার বাদীর বিরুদ্ধে নগদ ৪৭ লাখ টাকাসহ মোট ৭৭ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোশাররফ হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সকালে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুল বারীর বড় ছেলে মো.উমায়ের বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন আকরাইন এলাকায় তোহফাতুল জান্নাত মহিলা মাদরাসায় হামলা চালায়। এসময় নগদ ৪৭ লাখ টাকা, ২৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও ৭ লাখ টাকার আসবাবপত্র লুট করে।

মামলার বাদী মো.উমায়ের দাবি, আমার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে। মূলত জায়গা জমি দখল ও মাদরাসায় লুটপাটের দেশে হামলা চালায়।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ধর্ষণ মামলার বাদীর নাম বাদ দিয়ে মামলা করতে বলেছিলাম। তবে ভাঙচুর ও লুটপাট অভিযোগ এনে তারা বাদীর নামসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

ট্যাগ:

সাভারে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধ/র্ষ/ণে/র মামলার বাদীর বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময়: ০১:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সাভারে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলার বাদীর বিরুদ্ধে নগদ ৪৭ লাখ টাকাসহ মোট ৭৭ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোশাররফ হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সকালে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুল বারীর বড় ছেলে মো.উমায়ের বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন আকরাইন এলাকায় তোহফাতুল জান্নাত মহিলা মাদরাসায় হামলা চালায়। এসময় নগদ ৪৭ লাখ টাকা, ২৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও ৭ লাখ টাকার আসবাবপত্র লুট করে।

মামলার বাদী মো.উমায়ের দাবি, আমার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে। মূলত জায়গা জমি দখল ও মাদরাসায় লুটপাটের দেশে হামলা চালায়।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ধর্ষণ মামলার বাদীর নাম বাদ দিয়ে মামলা করতে বলেছিলাম। তবে ভাঙচুর ও লুটপাট অভিযোগ এনে তারা বাদীর নামসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।