ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক কামরুজ্জামান খানকে মামলায় আসামি করায় ক্র্যাবের নিন্দা

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এর সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য মো. কামরুজ্জামান খানকে সাভার মডেল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় আসামি করায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্বাস উদ্দিন। এ মামলায় সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান খানকে ১৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

ক্র্যাব মনে করে, কোনো ব্যক্তিকে ফৌজদারি মামলায় আসামি করার ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যথাযথ যাচাই থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে একজন পেশাদার সাংবাদিককে গুরুতর মামলায় আসামি করার আগে তার সংশ্লিষ্টতা যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি।

ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান খান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাভারে বসবাস করেন না। ফলে মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ক্র্যাব মনে করে, একজন পেশাদার সাংবাদিক যাতে অযথা হয়রানি, ভয়ভীতি বা পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটিও নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব।

সাংবাদিক কামরুজ্জামান খানকে মামলায় আসামি করার ঘটনায় ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এমএম বাদশাহ্ যৌথ বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো ধরনের হয়রানি বা চাপ প্রয়োগ ক্র্যাব মেনে নেবে না।

ট্যাগ:

সাংবাদিক কামরুজ্জামান খানকে মামলায় আসামি করায় ক্র্যাবের নিন্দা

আপডেট সময়: ০৪:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এর সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য মো. কামরুজ্জামান খানকে সাভার মডেল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় আসামি করায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্বাস উদ্দিন। এ মামলায় সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান খানকে ১৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

ক্র্যাব মনে করে, কোনো ব্যক্তিকে ফৌজদারি মামলায় আসামি করার ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যথাযথ যাচাই থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে একজন পেশাদার সাংবাদিককে গুরুতর মামলায় আসামি করার আগে তার সংশ্লিষ্টতা যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি।

ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান খান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাভারে বসবাস করেন না। ফলে মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ক্র্যাব মনে করে, একজন পেশাদার সাংবাদিক যাতে অযথা হয়রানি, ভয়ভীতি বা পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটিও নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব।

সাংবাদিক কামরুজ্জামান খানকে মামলায় আসামি করার ঘটনায় ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এমএম বাদশাহ্ যৌথ বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো ধরনের হয়রানি বা চাপ প্রয়োগ ক্র্যাব মেনে নেবে না।