ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ হাদির খুনিদের গ্রেপ্তারে ব্যর্থতা, জামায়াতের আমিরের ক্ষোভ

শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, অভিযোগপত্র দাখিলের পরও এই নৃশংস হত্যার মূল আসামিরা ধরা না পড়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক।
শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, শহীদ হাদি ছিলেন তাদের অত্যন্ত প্রিয় সন্তান ও রাজপথের পরীক্ষিত সহযোদ্ধা। তার নির্মম মৃত্যুর শোক ও ক্ষত আজও হৃদয়ে গভীর বেদনা তৈরি করে রেখেছে। একটি সম্ভাবনাময় তরুণ প্রাণের এভাবে চলে যাওয়া যে শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।
তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠছে। অভিযুক্তরা দেশে আছে নাকি সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে পালিয়েছে—এ বিষয়ে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা বা বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। যদি তারা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত বা অন্য কোনো দেশে অবস্থান করে থাকে, তবে বাংলাদেশ সরকারের উচিত কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা।
ট্যাগ:

শহীদ হাদির খুনিদের গ্রেপ্তারে ব্যর্থতা, জামায়াতের আমিরের ক্ষোভ

আপডেট সময়: ১১:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, অভিযোগপত্র দাখিলের পরও এই নৃশংস হত্যার মূল আসামিরা ধরা না পড়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক।
শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, শহীদ হাদি ছিলেন তাদের অত্যন্ত প্রিয় সন্তান ও রাজপথের পরীক্ষিত সহযোদ্ধা। তার নির্মম মৃত্যুর শোক ও ক্ষত আজও হৃদয়ে গভীর বেদনা তৈরি করে রেখেছে। একটি সম্ভাবনাময় তরুণ প্রাণের এভাবে চলে যাওয়া যে শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।
তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠছে। অভিযুক্তরা দেশে আছে নাকি সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে পালিয়েছে—এ বিষয়ে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা বা বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। যদি তারা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত বা অন্য কোনো দেশে অবস্থান করে থাকে, তবে বাংলাদেশ সরকারের উচিত কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা।