ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারে বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প দেখিয়ে ৩০ লক্ষ টাকা উত্তোলন, তদন্ত কমিটি গঠন 

সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের জামসিং জয়পাড়া এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে ভয়াবহ অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ সামনে এসেছে। সরকারি অর্থায়নের প্রকল্পে কোনো ধরনের অর্থ প্রদানের নিয়ম না থাকলেও স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ড্রেন নির্মাণের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পরও দীর্ঘদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তবে এক সচেতন নাগরিকের লিখিত আবেদনের পর অবশেষে সাভার পৌর প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

 

সাভার পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম জানান, পৌর প্রশাসকের নির্দেশে বুধবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল আমিনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কে এম শহিদুজ্জামান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাহানারা আক্তার, পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. ছামসুদ্দিন এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আল মামুন।

 

তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

সাভার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ আলম মিয়া জানান, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং স্থানীয় সরকার কোভিড-১৯ প্রতিক্রিয়া ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের (এলজিসিআরআরপি) আওতায় জামসিং জয়পাড়া এলাকায় দুটি উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয়ে ৮০০ মিটার ইউনিব্লক সড়ক নির্মাণ।

৬৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪০ টাকা ব্যয়ে ৩৫০ মিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই প্রকল্পকে পুঁজি করে একটি চক্র মসজিদের মাইক ব্যবহার করে প্রচারণা চালায় যে, পৌরসভার প্রকৌশলীদের মোটা অঙ্কের টাকা না দিলে ড্রেন নির্মাণ হবে না। এভাবেই সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা সংগ্রহ করা হয়।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, বাইতুল মামুর কেরামাতিয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারি খন্দকার ফরহাদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ হাজী মো. শামসুদ্দিন, তার ছেলে হাসান মাহমুদ প্রিন্স, স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন ও মাসুমসহ কয়েকজন মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তোলে।

 

তারা বাড়ি প্রতি ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে। কেউ কেউ ধার-দেনা করেও টাকা দিয়েছেন। স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, এভাবে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

তবে অভিযুক্ত হাসান মাহমুদ প্রিন্স দাবি করেছেন, তারা মোট ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা তুলেছেন এবং প্রকল্প অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে সেই টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে সাভার পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেনকে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেওয়ার বিষয়ে কথোপকথন শোনা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে।

 

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর সাভারজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সময়ের মধ্যে অভিযুক্তরা উল্টো ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে।

 

প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ হয়ে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও গণমাধ্যমকর্মী ইমদাদুল হক মঙ্গলবার সাভার পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেন। আবেদনে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এর একদিন পরই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মুন্নি আক্তার, আকলিমা আক্তার ও জাহাঙ্গীর আলমসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, আমরা মনে করেছিলাম আমাদের দেওয়া টাকায় ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। এখন জানতে পারছি পুরো প্রকল্পই বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তাহলে আমাদের কাছ থেকে কেন টাকা নেওয়া হলো? আমরা আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত চাই এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

 

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে পৌরসভার কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তবে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা না রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

 

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় তদন্ত দীর্ঘসূত্রতায় পড়তে পারে। এতে তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্তরা প্রভাব খাটিয়ে দায় এড়ানোর সুযোগ পেতে পারে। ফলে এখন সবার নজর তদন্ত কমিটির কার্যক্রম ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

ট্যাগ:

সাভারে বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প দেখিয়ে ৩০ লক্ষ টাকা উত্তোলন, তদন্ত কমিটি গঠন 

আপডেট সময়: ০১:১৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের জামসিং জয়পাড়া এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে ভয়াবহ অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ সামনে এসেছে। সরকারি অর্থায়নের প্রকল্পে কোনো ধরনের অর্থ প্রদানের নিয়ম না থাকলেও স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ড্রেন নির্মাণের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পরও দীর্ঘদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তবে এক সচেতন নাগরিকের লিখিত আবেদনের পর অবশেষে সাভার পৌর প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

 

সাভার পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম জানান, পৌর প্রশাসকের নির্দেশে বুধবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল আমিনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কে এম শহিদুজ্জামান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাহানারা আক্তার, পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. ছামসুদ্দিন এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আল মামুন।

 

তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

সাভার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ আলম মিয়া জানান, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং স্থানীয় সরকার কোভিড-১৯ প্রতিক্রিয়া ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের (এলজিসিআরআরপি) আওতায় জামসিং জয়পাড়া এলাকায় দুটি উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয়ে ৮০০ মিটার ইউনিব্লক সড়ক নির্মাণ।

৬৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪০ টাকা ব্যয়ে ৩৫০ মিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই প্রকল্পকে পুঁজি করে একটি চক্র মসজিদের মাইক ব্যবহার করে প্রচারণা চালায় যে, পৌরসভার প্রকৌশলীদের মোটা অঙ্কের টাকা না দিলে ড্রেন নির্মাণ হবে না। এভাবেই সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা সংগ্রহ করা হয়।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, বাইতুল মামুর কেরামাতিয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারি খন্দকার ফরহাদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ হাজী মো. শামসুদ্দিন, তার ছেলে হাসান মাহমুদ প্রিন্স, স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন ও মাসুমসহ কয়েকজন মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তোলে।

 

তারা বাড়ি প্রতি ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে। কেউ কেউ ধার-দেনা করেও টাকা দিয়েছেন। স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, এভাবে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

তবে অভিযুক্ত হাসান মাহমুদ প্রিন্স দাবি করেছেন, তারা মোট ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা তুলেছেন এবং প্রকল্প অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে সেই টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে সাভার পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেনকে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেওয়ার বিষয়ে কথোপকথন শোনা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে।

 

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর সাভারজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সময়ের মধ্যে অভিযুক্তরা উল্টো ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে।

 

প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ হয়ে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও গণমাধ্যমকর্মী ইমদাদুল হক মঙ্গলবার সাভার পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেন। আবেদনে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এর একদিন পরই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মুন্নি আক্তার, আকলিমা আক্তার ও জাহাঙ্গীর আলমসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, আমরা মনে করেছিলাম আমাদের দেওয়া টাকায় ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। এখন জানতে পারছি পুরো প্রকল্পই বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তাহলে আমাদের কাছ থেকে কেন টাকা নেওয়া হলো? আমরা আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত চাই এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

 

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে পৌরসভার কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তবে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা না রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

 

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় তদন্ত দীর্ঘসূত্রতায় পড়তে পারে। এতে তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্তরা প্রভাব খাটিয়ে দায় এড়ানোর সুযোগ পেতে পারে। ফলে এখন সবার নজর তদন্ত কমিটির কার্যক্রম ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।