ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গলায় মরণব্যাধি টিউমার, তিন সন্তানকে বুকে নিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষায় আশুলিয়ার শান্তি।

গলায় ভয়াবহ টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন শান্তি খাতুন (৩৫)। যে নারী একসময় স্থানীয় একটি ওয়াশিং কারখানায় কাজ করে তিন সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতেন, আজ তিনি নিজেই একফোঁটা খাবার গিলতে পারছেন না। অসহ্য যন্ত্রণা আর অর্থাভাবে থেমে গেছে তার চিকিৎসা।
স্বামী মুজা অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে তার। ছোট সন্তানগুলো শুধু দেখছে—তাদের মা ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের মেয়ে শান্তি খাতুন স্বামীর সঙ্গে আশুলিয়ায় এসে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। বর্তমানে তিনি পশ্চিম বাইপাইল এলাকায় একটি টিনসেট বাসায় ভাড়া থাকেন। অসুস্থতার কারণে কাজ বন্ধ, ঘরে নেই কোনো আয়।
শান্তির ভাই আল-আমীন বলেন,আমরা গরিব মানুষ, যা ছিল সব চিকিৎসায় শেষ। এখন কিছুই নেই। কেউ সাহায্য করলে হয়তো বোনটা বাঁচবে।
স্থানীয়দের মতে, দ্রুত চিকিৎসা পেলে তার জীবন রক্ষা সম্ভব।
সমাজের সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতাই বাঁচাতে পারে এক মায়ের জীবন এবং তার তিন সন্তানের ভবিষ্যৎ।
ট্যাগ:

গলায় মরণব্যাধি টিউমার, তিন সন্তানকে বুকে নিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষায় আশুলিয়ার শান্তি।

আপডেট সময়: ০২:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
গলায় ভয়াবহ টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন শান্তি খাতুন (৩৫)। যে নারী একসময় স্থানীয় একটি ওয়াশিং কারখানায় কাজ করে তিন সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতেন, আজ তিনি নিজেই একফোঁটা খাবার গিলতে পারছেন না। অসহ্য যন্ত্রণা আর অর্থাভাবে থেমে গেছে তার চিকিৎসা।
স্বামী মুজা অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে তার। ছোট সন্তানগুলো শুধু দেখছে—তাদের মা ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের মেয়ে শান্তি খাতুন স্বামীর সঙ্গে আশুলিয়ায় এসে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। বর্তমানে তিনি পশ্চিম বাইপাইল এলাকায় একটি টিনসেট বাসায় ভাড়া থাকেন। অসুস্থতার কারণে কাজ বন্ধ, ঘরে নেই কোনো আয়।
শান্তির ভাই আল-আমীন বলেন,আমরা গরিব মানুষ, যা ছিল সব চিকিৎসায় শেষ। এখন কিছুই নেই। কেউ সাহায্য করলে হয়তো বোনটা বাঁচবে।
স্থানীয়দের মতে, দ্রুত চিকিৎসা পেলে তার জীবন রক্ষা সম্ভব।
সমাজের সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতাই বাঁচাতে পারে এক মায়ের জীবন এবং তার তিন সন্তানের ভবিষ্যৎ।