
রাজধানীর অন্যতম বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ চিকিৎসা নিতে এসে চরম ভোগান্তির অভিযোগ করছেন সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের অতিরিক্ত উপস্থিতির কারণে রোগীরা চিকিৎসকের সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন না।
ভুক্তভোগীদের মতে, হাসপাতালে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী চিকিৎসার জন্য আসেন। কিন্তু চিকিৎসকের কক্ষের আশপাশে ওষুধ কোম্পানির লোকজনের ভিড় এতটাই বেশি যে রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এতে রোগীরা তাদের সমস্যার বিস্তারিত চিকিৎসককে জানাতে পারছেন না এবং অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসা সেবার মান ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
সাধারণ জনগণ বলছেন, হাসপাতালে বর্তমানে রোগীর তুলনায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের উপস্থিতি বেশি মনে হচ্ছে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ অস্বস্তি ও ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন। বিশেষ করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন।
রোগী ও স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, হাসপাতালের পরিবেশ রোগীবান্ধব রাখতে হলে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
সাধারণ জনগণের দাবি, হাসপাতালের মূল উদ্দেশ্য রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা। তাই অপ্রয়োজনীয় ভিড় ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে রোগীরা নির্বিঘ্নে চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে পারেন এবং যথাযথ চিকিৎসা সেবা পান।
মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম : 










