
ঢাকা, ——
শীত মৌসুম শুরু হতেই দেশজুড়ে সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর ভিড়। চিকিৎসকরা বলছেন, অবহেলা করলে শীতজনিত এসব রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস ও হাঁপানিজনিত জটিলতা বেড়েছে। বিশেষ করে ভোরের কুয়াশা, ঠান্ডা বাতাস এবং তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক জানান,
“শীতকালে সাধারণ সর্দি-কাশিকেও হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এটি নিউমোনিয়া বা শ্বাসকষ্টে রূপ নিতে পারে।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ রোগী প্রাথমিক উপসর্গ উপেক্ষা করে দেরিতে চিকিৎসা নিতে আসছেন, যার ফলে চিকিৎসা জটিল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠছে।
ঝুঁকিতে যারা
-
৫ বছরের কম বয়সী শিশু
-
৬০ বছরের বেশি বয়সী বয়স্ক ব্যক্তি
-
ডায়াবেটিস, হাঁপানি ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগী
-
ধূমপায়ী ও অপুষ্টিতে ভোগা মানুষ
চিকিৎসকদের পরামর্শ
✔️ ঠান্ডা এড়িয়ে চলুন ও গরম পোশাক ব্যবহার করুন
✔️ হাত পরিষ্কার রাখুন, নিয়মিত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন
✔️ ঠান্ডা ও খোলা খাবার পরিহার করুন
✔️ পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
✔️ জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন
✔️ নিজের ইচ্ছামতো অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করবেন না
সতর্কবার্তা
চিকিৎসকরা শীতকালে গরম পোশাক ব্যবহার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ঠান্ডা খাবার পরিহার এবং জ্বর বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
এন. এস. সুজন 














