ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎আশুলিয়ায় যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল ও শিক্ষক আটক

আশুলিয়ায় ৭ বছরের এক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে ইলিয়াচ নামে এক মাদ্রাসার শিক্ষক ও প্রিন্সিপাল আনোয়ারকে আটক করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
‎বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট সিনসিন মোড় এলাকার রাওজাতুল কুরআন আধুনিক নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এরআগে মঙ্গলবার বিকালে ওই মাদ্রাসায় এই ঘটনা বলে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীর স্বজনদের।
‎আটককৃত মোহাম্মদ ইলিয়াচ ময়মনসিংহ জেলার পূর্বতলা থানার কুকলা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে এবং নওগাঁ জেলায় মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের গ্রামের বাড়ী। অভিযুক্ত আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট সিনসিন মোড় এলাকায় ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। অন্যদিকে যৌন হয়রানীর শিকার শিশু তার চাচা আলামিনের বাসায় থেকে ওই মাদ্রাসায় ১ম শ্রেনীতে পড়াশুনা করে।
‎ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শিশুর স্বজনেরা জানান, আমাদের সন্তানের বাবা বিদেশ থাকেন। তার মা গ্রামের বাড়ীতে থাকে। এখানে চাচার বাসায় থেকে চাচার মেয়ের সাথে একত্রে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। প্রতিদিনের ন্যায় সে বিকালে ক্লাস শেষে বাসায় আসে এবং খাটের একপাশে বসে কান্না করছিলো। এমন সময়ে তার চাচী এসে কান্না করার কারণ জানতে চাইলে সে তার চাচীকে সব ঘটনা খুলে বলে। তার কাছ থেকে জানাতে পারি যে, বুধবার বিকেলে উক্ত মাদ্রাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষক ইলিয়াচ ওই তাকে কৌঁশলে ডেকে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় এবং নানা প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে। পরে আমরা জানতে পেরে মাদ্রাসা কতৃপক্ষকে জানাই। এরপরে এবিষয়ে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ সমাধান করার চেষ্টা করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক এবং মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তাদের ২ জনকে থানায় নিয়ে যায়। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই, যেন ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনি পদক্ষেপ নেবার আশ্বাস দেন পুলিশ। এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় আনা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগ:

‎আশুলিয়ায় যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল ও শিক্ষক আটক

আপডেট সময়: ০৬:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
আশুলিয়ায় ৭ বছরের এক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে ইলিয়াচ নামে এক মাদ্রাসার শিক্ষক ও প্রিন্সিপাল আনোয়ারকে আটক করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
‎বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট সিনসিন মোড় এলাকার রাওজাতুল কুরআন আধুনিক নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এরআগে মঙ্গলবার বিকালে ওই মাদ্রাসায় এই ঘটনা বলে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীর স্বজনদের।
‎আটককৃত মোহাম্মদ ইলিয়াচ ময়মনসিংহ জেলার পূর্বতলা থানার কুকলা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে এবং নওগাঁ জেলায় মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের গ্রামের বাড়ী। অভিযুক্ত আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট সিনসিন মোড় এলাকায় ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। অন্যদিকে যৌন হয়রানীর শিকার শিশু তার চাচা আলামিনের বাসায় থেকে ওই মাদ্রাসায় ১ম শ্রেনীতে পড়াশুনা করে।
‎ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শিশুর স্বজনেরা জানান, আমাদের সন্তানের বাবা বিদেশ থাকেন। তার মা গ্রামের বাড়ীতে থাকে। এখানে চাচার বাসায় থেকে চাচার মেয়ের সাথে একত্রে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। প্রতিদিনের ন্যায় সে বিকালে ক্লাস শেষে বাসায় আসে এবং খাটের একপাশে বসে কান্না করছিলো। এমন সময়ে তার চাচী এসে কান্না করার কারণ জানতে চাইলে সে তার চাচীকে সব ঘটনা খুলে বলে। তার কাছ থেকে জানাতে পারি যে, বুধবার বিকেলে উক্ত মাদ্রাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষক ইলিয়াচ ওই তাকে কৌঁশলে ডেকে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় এবং নানা প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে। পরে আমরা জানতে পেরে মাদ্রাসা কতৃপক্ষকে জানাই। এরপরে এবিষয়ে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ সমাধান করার চেষ্টা করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক এবং মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তাদের ২ জনকে থানায় নিয়ে যায়। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই, যেন ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনি পদক্ষেপ নেবার আশ্বাস দেন পুলিশ। এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় আনা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।