
সাভারের উলাইল এলাকায় যুবদলের নেতা পরিচয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, বিভিন্ন শিল্পকারখানায় হামলাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে রুবায়েল সিদ্দিক ওরফে রুবেলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সাভারের প্রতীক অ্যাপারেলস নামের একটি পোশাক কারখানায় ১০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে হামলা চালানোর পর উঠে আসে রুবেলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে হামলার সময় উক্ত পোশাক পোশাক কারখানার ম্যানেজার হাবিবুর রহমানকে মারধর করে তার কাছে থাকা শ্রমিকদের বেতন বাবদ ৯১ হাজার ৭০০ টাকা লুট করে নিয়ে যায় রুবেল বাহিনীর সদস্যরা।
প্রতীক অ্যাপারেলসের ম্যানেজার হাবিবুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন যাবত রুবেল ও তার সহকর্মীরা বিভিন্নভাবে অ্যাপারেলসের কর্মচারী কর্মকর্তাদের ভয় ভিত্তি প্রদর্শন করে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। আমরা চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় ২৭ তারিখ রাত ১১:৩০ মিনিটে দল বল নিয়ে প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এ সময় আমাকেসহ কর্মরত শ্রমিকদের মারধর করে জোরপূর্বক ৯১ হাজার ৭০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এছাড়াও অভিযুক্ত রুবেলের বিরুদ্ধে কর্ণপাড়া এলাকার বিভিন্ন সরকারি খাস জমি দখল করে আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন মুদি দোকানদার বলেন, কর্ণপাড়া এলাকায় রুবেল ও তার সহকর্মীরা দীর্ঘদিন যাবত প্রতিটি দোকান ও ফুটপাতের হকার দের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে। তার কাছে আমরা জিম্মি হয়ে পড়েছি।
ফুটপাতে সবজি বিক্রেতা আব্দুর রহমান বলেন, আমরা এখানে ব্যবসা করে আসছি এবং প্রতিদিন কয়েকজন ছেলে এসে আমাদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে। ভয়ে আমরা কিছু বলতে পারি না।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় অভিযুক্ত রুবেল সাভার থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আহসানউল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রতীক অ্যাপারেলসে হামলার ঘটনাটি আমরা শুনেছি। এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 











