ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পুরো কাজ আগামী বছর শেষ হবে: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

রাজধানীর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পুরো নির্মাণকাজ আগামী বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

 

বুধবার সকালে আশুলিয়ার ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুই লেনবিশিষ্ট দুটি সার্ভিস সেতু উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশের দীর্ঘতম উড়াল সড়ক ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে প্রকল্পটির কাজ অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় একাংশের কাজ সম্পন্ন করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পুরো অংশ চালু হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজ হবে। একই সঙ্গে আশুলিয়া ও সাভার অঞ্চলের দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ কমবে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, একনেকে অনুমোদনের প্রায় পাঁচ বছর পর ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশদ্বার আশুলিয়ার ওপর দিয়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।

 

নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন প্রকল্পটির কাজ ধীরগতিতে চলায় দুর্ভোগে পড়েন আশুলিয়া, সাভারসহ আশপাশের এলাকার মানুষ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কাজের গতি বেড়েছে। জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ৭২ শতাংশ।

 

প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনীতে ব্যয় প্রায় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে ২৭ হাজার ৪৫ দশমিক ৬৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সংশোধিত প্রকল্পে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন এবং নতুন নকশায় বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া বাইপাইলে নির্মাণ করা হবে তিনতলা দৃষ্টিনন্দন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ।

 

এদিকে তুরাগ নদের পানি প্রবাহ নির্বিঘ্ন রাখতে ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুই লেনবিশিষ্ট দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

ট্যাগ:

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পুরো কাজ আগামী বছর শেষ হবে: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

আপডেট সময়: ০৬:২৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পুরো নির্মাণকাজ আগামী বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

 

বুধবার সকালে আশুলিয়ার ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুই লেনবিশিষ্ট দুটি সার্ভিস সেতু উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশের দীর্ঘতম উড়াল সড়ক ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে প্রকল্পটির কাজ অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় একাংশের কাজ সম্পন্ন করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পুরো অংশ চালু হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজ হবে। একই সঙ্গে আশুলিয়া ও সাভার অঞ্চলের দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ কমবে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, একনেকে অনুমোদনের প্রায় পাঁচ বছর পর ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশদ্বার আশুলিয়ার ওপর দিয়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।

 

নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন প্রকল্পটির কাজ ধীরগতিতে চলায় দুর্ভোগে পড়েন আশুলিয়া, সাভারসহ আশপাশের এলাকার মানুষ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কাজের গতি বেড়েছে। জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ৭২ শতাংশ।

 

প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনীতে ব্যয় প্রায় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে ২৭ হাজার ৪৫ দশমিক ৬৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সংশোধিত প্রকল্পে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন এবং নতুন নকশায় বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া বাইপাইলে নির্মাণ করা হবে তিনতলা দৃষ্টিনন্দন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ।

 

এদিকে তুরাগ নদের পানি প্রবাহ নির্বিঘ্ন রাখতে ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুই লেনবিশিষ্ট দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।