
ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবি (উত্তর)-এর বিশেষ অভিযানে সাভার, ধামরাই ও আশুলিয়া এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে মোট ২১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৭ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং ডিবি (উত্তর)-এর ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এই ধারাবাহিক অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।
প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় সাভার মডেল থানাধীন আক্রাইন বাজার এলাকায়। সেখানে ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ মফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে ১৯ বছর বয়সী যুবক মোঃ সিয়াম হোসেন হৃদয়কে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন প্রায় ৫ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃত সিয়াম ভোলা জেলার লালমোহন থানার নয়আনী গ্রামের মৃত জসীম উদ্দীনের ছেলে এবং বর্তমানে সাভারের আইঠোর রাস্তা এলাকায় ভাড়া থাকেন।
পরবর্তীতে অপর একটি পৃথক অভিযানে ধামরাই থানাধীন গোপাল কৃষ্ণপুর এলাকা থেকে ৪২ বছর বয়সী মোঃ ফরহাদ হোসেন শুভকে ১১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। এই অভিযানেও নেতৃত্ব দেন এসআই শেখ মফিজুর রহমান। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ১১ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৩ হাজার টাকা। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, এই আসামির বিরুদ্ধে পূর্বেও ১টি মাদক মামলা রয়েছে। তিনি ধামরাইয়ের দাইরা এলাকার বাসিন্দা।
তৃতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয় আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল এলাকায়। এসআই মোঃ মতিউর রহমান ও তাঁর টিম এই সফল অভিযানে অংশ নেন। বাইপাইল এলাকা থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মোট পাঁচজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ নজরুল, শাহীন, ফেরদৌস, আইয়ুব হোসেন রনি এবং ইসমাইল। এই ৫ আসামির নিকট থেকেও ৫ গ্রাম ওজনের ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার টাকা। পুলিশ জানায়, এই দলের ৫ নম্বর আসামি ফেরদৌসের বিরুদ্ধে পূর্বে একটি সিআর মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত সকল আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে ঢাকা জেলা পুলিশের এমন কঠোর অবস্থান ও ধারাবাহিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
আশরাফুল আলম 













