
জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দরজায় কড়া নাড়ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর, অর্থাৎ আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে এই নির্বাচনী উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন বা সমর্থনের ক্ষেত্রে ‘অতীতের ত্যাগ’ এবং ‘জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা’ এই দুটি বিষয়কেই মূল মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করেছে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।এছাড়াও স্থানীয় নির্বাচনে অগ্রাধিকার পাবেন এলাকায় জনপ্রিয়, বিতর্কহীন ও বিগত ১৭ বছর মাঠ পর্যায়ে দলের জন্য কাজ করেছেন এই ধরনের ত্যাগি নেতারা।
সরকার ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন সম্পূর্ণ করার একটি মহাপরিকল্পনা রয়েছে। বাজেটের প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে এই নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হবে, যার সূচনা হতে পারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে।
কার্যত স্থানীয় সরকার নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়ে যাওয়ায় মাঠপর্যায়ের প্রার্থীরা এখন কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই সবুজ সংকেত পেতে হাইকমান্ডের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তবে দলটির হাইকমান্ড যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে ইতোমধ্যে কয়েক দফা মাঠ জরিপ চালিয়েছে এবং তা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






