ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থানীয় নির্বাচনেও বিদ্রোহীদের ছাড় দেবে না বিএনপি, প্রয়োজনে বহিষ্কার

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেবে বিএনপি। বিদ্রোহীদের বিষয়ে নেওয়া হবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। দলের হাইকমান্ড থেকে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্তরে এ বার্তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, সংসদ নির্বাচনের মতো এক্ষেত্রেও দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ প্রার্থী হলে তার বিষয়ে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছে। আসন্ন নির্বাচনেও দলীয় প্রতীক থাকছে না। তবে মাঠপর্যায়ে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সবুজ সংকেত বা অনানুষ্ঠানিক সমর্থন দেওয়া হবে।

কেন্দ্র বা স্থানীয় সমন্বয় কমিটি যাকে সমর্থন দেবে, দলের অন্য সব সম্ভাব্য প্রার্থীকে তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আজীবন বহিষ্কারের মতো সাংগঠনিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বড় দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী বেশি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, দলের প্রতি ত্যাগ, অবদান এবং এলাকায় গ্রহণযোগ্য জনপ্রিয়তা বিবেচনায় সমর্থন দেওয়া হবে। তবে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

অতীতে দেখা গেছে, প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে একই এলাকায় দলের একাধিক প্রভাবশালী নেতা প্রার্থী হয়ে থাকেন। এতে ভোট ভাগাভাগি হয় এবং দলীয় কোন্দল চরম আকার ধারণ করে। প্রতিপক্ষ যেন এই সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য আগেভাগেই সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কঠোর বার্তা দেওয়ার পথে হাঁটছে দলটি।

ট্যাগ:

স্থানীয় নির্বাচনেও বিদ্রোহীদের ছাড় দেবে না বিএনপি, প্রয়োজনে বহিষ্কার

আপডেট সময়: ০৫:১২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেবে বিএনপি। বিদ্রোহীদের বিষয়ে নেওয়া হবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। দলের হাইকমান্ড থেকে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্তরে এ বার্তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, সংসদ নির্বাচনের মতো এক্ষেত্রেও দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ প্রার্থী হলে তার বিষয়ে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছে। আসন্ন নির্বাচনেও দলীয় প্রতীক থাকছে না। তবে মাঠপর্যায়ে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সবুজ সংকেত বা অনানুষ্ঠানিক সমর্থন দেওয়া হবে।

কেন্দ্র বা স্থানীয় সমন্বয় কমিটি যাকে সমর্থন দেবে, দলের অন্য সব সম্ভাব্য প্রার্থীকে তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আজীবন বহিষ্কারের মতো সাংগঠনিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বড় দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী বেশি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, দলের প্রতি ত্যাগ, অবদান এবং এলাকায় গ্রহণযোগ্য জনপ্রিয়তা বিবেচনায় সমর্থন দেওয়া হবে। তবে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

অতীতে দেখা গেছে, প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে একই এলাকায় দলের একাধিক প্রভাবশালী নেতা প্রার্থী হয়ে থাকেন। এতে ভোট ভাগাভাগি হয় এবং দলীয় কোন্দল চরম আকার ধারণ করে। প্রতিপক্ষ যেন এই সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য আগেভাগেই সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কঠোর বার্তা দেওয়ার পথে হাঁটছে দলটি।