
এক কীটনাশকের বিষাক্ত গন্ধে মানুষের জীবন দুর্বিষহ, নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এলাকাবাসী, অল্প বয়সেই মৃত্যুর অভিযোগ করছে এলাকাবাসী।
ঘনবসতির মাঝে ‘এমাগ্রিন’ নামের কীটনাশক ফ্যাক্টরি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক
সাভার উপজেলার বনগাঁ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাদাপুর পুরানবাড়ি বেকারির মোড় এলাকায় ঘনবসতির মাঝখানে গড়ে উঠেছে ‘এমাগ্রিন’ নামের একটি কীটনাশক উৎপাদনকারী ফ্যাক্টরি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই ফ্যাক্টরি থেকে নির্গত তীব্র ও বিষাক্ত গন্ধে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, এই দুর্গন্ধের প্রভাবে শিশু, নারী ও বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, বমি, চোখ জ্বালা এবং ত্বকের নানা সমস্যায় ভুগছেন। এমনকি একাধিক ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এত গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিক সমাজ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার বিষয়টি জানানো হলেও আজ পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এই বিষাক্ত কীটনাশক ফ্যাক্টরি তাহলে কার ছত্রছায়ায় এখনও চালু রয়েছে?
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আমাদের প্রতিনিধি ফ্যাক্টরির ভেতরের পরিস্থিতি জানার জন্য সেখানে প্রবেশ করতে গেলে কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেয়। শুধু তাই নয়, সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়েও কটাক্ষমূলক মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে আরও স্পষ্ট হচ্ছে, ফ্যাক্টরিটি যেন নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে মনে করেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে—পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধি, এবং জনবসতির মধ্যে এমন বিপজ্জনক কারখানা পরিচালনার বৈধতা আদৌ আছে কি না।
এলাকাবাসী দ্রুত এই ফ্যাক্টরি বন্ধ করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
জনস্বার্থে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
দা অনুসন্ধান—
সত্যের সন্ধানে আমরা থাকবো মাঠে,
পর্ব–২ এ উঠে আসবে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।
রিপোর্টারের নাম 










