ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টয়লেটের ময়লা পানি পুকুরে ফেলার জন্য ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যায়।

আশুলিয়ার চারিগ্রাম এলাকায় আলফালাহ সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের টয়লেটের ময়লা পানি সরাসরি একটি পুকুরে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, ফলে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে টয়লেটের পানি সরাসরি পুকুরে নিষ্কাশন করা হচ্ছে, যার কারণে পুকুরের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে এবং আশপাশের পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই পরিস্থিতি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
স্হানীয়রা আরও জানান,আলফালাহ সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের মালিক মামুন হোসেন আওয়ামীলীগ আমলে রাতারাতি শত কোটি টাকার মালিক বনে যান। টাকা এবং ক্ষমতার প্রভাবে এখন সে কাউকে পাত্তা দিতে চায় না।
এদিকে, পুকুরটি সংস্কারের জন্য সরকারি বরাদ্দ পেলেও কাজ শুরু হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, টয়লেটের পানি সরানোর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মেসার্স জাফর ট্রেডিং করপোরেশন ঠিকাদার কাজ শুরু না করেই চলে যান। ফলে একদিকে যেমন পুকুরের দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে উন্নয়ন কাজও স্থবির হয়ে রয়েছে।
ঠিকাদার দিপু জানান, পুকুরটিতে টয়লেটের পানি আসার জন্য কাজ শুরু করতে পারিনি। আমি এখন অন্যত্র কাজ করছি, সমস্যার সমাধান হলে দ্রতই কাজ শুরু করবো।
অভিযুক্ত আলফালাহ সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মামুন হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
ট্যাগ:

টয়লেটের ময়লা পানি পুকুরে ফেলার জন্য ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যায়।

আপডেট সময়: ০১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
আশুলিয়ার চারিগ্রাম এলাকায় আলফালাহ সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের টয়লেটের ময়লা পানি সরাসরি একটি পুকুরে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, ফলে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে টয়লেটের পানি সরাসরি পুকুরে নিষ্কাশন করা হচ্ছে, যার কারণে পুকুরের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে এবং আশপাশের পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই পরিস্থিতি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
স্হানীয়রা আরও জানান,আলফালাহ সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের মালিক মামুন হোসেন আওয়ামীলীগ আমলে রাতারাতি শত কোটি টাকার মালিক বনে যান। টাকা এবং ক্ষমতার প্রভাবে এখন সে কাউকে পাত্তা দিতে চায় না।
এদিকে, পুকুরটি সংস্কারের জন্য সরকারি বরাদ্দ পেলেও কাজ শুরু হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, টয়লেটের পানি সরানোর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মেসার্স জাফর ট্রেডিং করপোরেশন ঠিকাদার কাজ শুরু না করেই চলে যান। ফলে একদিকে যেমন পুকুরের দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে উন্নয়ন কাজও স্থবির হয়ে রয়েছে।
ঠিকাদার দিপু জানান, পুকুরটিতে টয়লেটের পানি আসার জন্য কাজ শুরু করতে পারিনি। আমি এখন অন্যত্র কাজ করছি, সমস্যার সমাধান হলে দ্রতই কাজ শুরু করবো।
অভিযুক্ত আলফালাহ সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মামুন হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।