ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনপ্রতি ফিতরা সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা, সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

  • আলী রেজা রাজু
  • আপডেট সময়: ০৭:৩১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 13
এ-বছর ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ-এর খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে জানানো হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির—এই পাঁচটি পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যাবে।
নির্ধারিত হার অনুযায়ী:
গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা প্রদান করতে হবে।
যব দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা।
খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৪৭৫ টাকা।
কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৬৪০ টাকা।
পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৮০৫ টাকা প্রদান করতে হবে।
দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজারদরের ভিত্তিতে এ হার নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লেখিত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি বা তার সমপরিমাণ বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব পণ্যের খুচরা বাজারদরে কিছুটা তারতম্য থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারমূল্য অনুযায়ী পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলে কমিটি জানিয়েছে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মো. ফজলুল হক, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ কমিটির সদস্যরা।
ট্যাগ:

জনপ্রতি ফিতরা সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা, সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

আপডেট সময়: ০৭:৩১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
এ-বছর ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ-এর খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে জানানো হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির—এই পাঁচটি পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যাবে।
নির্ধারিত হার অনুযায়ী:
গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা প্রদান করতে হবে।
যব দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা।
খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৪৭৫ টাকা।
কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৬৪০ টাকা।
পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা এর বাজার মূল্য ২,৮০৫ টাকা প্রদান করতে হবে।
দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজারদরের ভিত্তিতে এ হার নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লেখিত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি বা তার সমপরিমাণ বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব পণ্যের খুচরা বাজারদরে কিছুটা তারতম্য থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারমূল্য অনুযায়ী পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলে কমিটি জানিয়েছে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মো. ফজলুল হক, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ কমিটির সদস্যরা।