কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকারের ওজন নির্ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। এতে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রৌপ্যালংকার পাওয়া গেছে।
তবে বৈদেশিক মুদ্রার গণনা শেষ হতে রাত ১০টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন রূপালী ব্যাংকের এজিএম মোহাম্মদ আলী হারিছ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টা থেকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এসব মূল্যবান সামগ্রীর ওজন নির্ধারণ, স্বর্ণের ক্যারেট যাচাই এবং বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজ শুরু হয়। পরে বেলা সাড়ে ৫টার দিকে স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকার ওজন নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়।
দীর্ঘ ছয় বছর পর দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণ ও রুপার অলংকার এবং বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ নির্ধারণে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ট্রেজারিতে সংরক্ষিত ৯টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার ও ৬টি সিলগালা করা খাম খুলে এসব সামগ্রী গণনা ও পরিমাপ করা হয়।