শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় সেপটিক ট্যাংকের পাশে মাটির নিচে মরদেহ, আর তার ওপর লাগানো হয়েছিল সবজির চারা। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি নারী রেহানা পারভীনকে হত্যার পর মরদেহ গোপন করতে এমন কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রায় দুই বছর তদন্তের পর রেহানার স্বামী আওলাদ হোসাইনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।
গত ৩১ আগস্ট ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তানভীর হাসান খান। এতে আওলাদ হোসাইন ছাড়াও আসামি করা হয়েছে তার দুই বোন পাপিয়া আক্তার ও মাকসুদা বেগম, চাচাতো ভাই কবীর হোসাইন এবং চাচা আমজাদ হোসাইনকে।