
ঢাকার ধামরাইয়ে বংশী নদী থেকে ছাহেরা খাতুন (৫০) নামের এক নারীর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে উপজেলার হাজীপুর গুচ্ছগ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বংশী নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের চোখ-মুখ বাঁধা এবং গলায় কলসি পেঁচানো থাকায় এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত ছাহেরা খাতুন ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম মৃত ইসমাইল হোসেন; তাদের আদি বাড়ি ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে স্থানীয় কিছু মানুষ বংশী নদীতে একটি মরদেহ ভেসে যেতে দেখেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে ধামরাই থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পাওয়ার পরপরই ধামরাই থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ঘটনার বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, নদীতে মরদেহ ভেসে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে নিহতের চোখ ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তার গলায় একটি কলসি বাঁধা ছিল।
তিনি আরও জানান, শনিবার সকালে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই ওই নারীর মৃত্যুর আসল রহস্য উদঘাটন এবং এটি হত্যাকাণ্ড কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।