
ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে টায়ার পুড়িয়ে ক্ষতিকারক তেল উৎপাদনের দায়ে হযরত শাহ আলী টায়ার রিসাইক্লিং নামের একটি অবৈধ কারখানায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা ও সদর দপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ উদ্যোগে,বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের সুঙ্গর এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে পরিবেশ দূষণের দায়ে কারখানাটির মালিককে দুই লাখ টাকা নগদ জরিমানা করা হয় এবং বুলডোজার দিয়ে সম্পূর্ণ কারখানাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কোনো ধরনের অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ওই এলাকায় কারখানাটি গোপনে পরিচালনা করে আসছিল একটি চক্র। এভাবে নিয়মবহির্ভূতভাবে টায়ার পুড়ানোর ফলে উৎপাদিত কালো ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসে চারপাশের পরিবেশ চরমভাবে দূষিত হচ্ছিল এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছিল। স্থানীয় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে করা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তর এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস গণমাধ্যমকে জানান যে, পরিবেশ ধ্বংসকারী এ ধরনের অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে তাদের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অবৈধভাবে পরিবেশ দূষণের এই অপরাধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রমে ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) দেবাশীষ সানা এবং পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক হাবিবুর রহমানসহ পুলিশ, র্যাব ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।