প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ৮:০২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৮, ২০২৬, ৮:০৮ পি.এম
ধামরাইয়ে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া দেড় লাখ টাকার অবৈধ সিগারেট ও বিড়ি ধ্বংস
![]()
সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বাজারে আনা এবং চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করা প্রায় দেড় লাখ টাকার অবৈধ দেশি-বিদেশি সিগারেট ও বিড়ি জব্দ করে ধ্বংস করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরের দিকে ঢাকার ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া রেডিও স্টেশন সংলগ্ন ময়লার ডিপোতে এসব তামাকজাতীয় পণ্য ধ্বংস করা হয়। কাস্টমস, এক্সাইস ও ভ্যাট ঢাকা (পশ্চিম) এর অতিরিক্ত কমিশনার মো: শাকিল খন্দকারের নেতৃত্বে এই অভিযান ও ধ্বংস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, 'মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২' অনুযায়ী এসব অবৈধ ও ব্যবহার অনুপযোগী তামাক পণ্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এরপর সঠিক প্রক্রিয়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রথমে একটি বড় রোলার দিয়ে বিড়ি-সিগারেটগুলো পিষে পুরোপুরি ব্যবহারের অযোগ্য করা হয়। পরবর্তীতে পরিবেশের ক্ষতি এড়াতে ময়লার ডিপো এলাকায় ১০-১৫ ফুট গভীর গর্ত করে তামাক পণ্যগুলো মাটিচাপা দেওয়া হয়।
ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন বাজার এবং মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর বাজার থেকে এই বিপুল পরিমাণ তামাকজাতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল,মন্ড (Mond), ওরিস (Oris), এক্সএস (XS), পেট্রন (Patron), এলিগেন্স (Elegance), টাইম (Time), পূর্বাণী ও মেসি (Messi) ব্র্যান্ডের মোট ৫৬,৮৬০ টাকার সিগারেট।দেশীয় বিড়ি বিভিন্ন স্থানীয় ব্র্যান্ডের মোট ৮৪,৮২০ টাকার বিড়ি।
তামাক পণ্য ধ্বংস শেষে কাস্টমস, এক্সাইস ও ভ্যাট ঢাকা (পশ্চিম) এর অতিরিক্ত কমিশনার মো: শাকিল খন্দকার সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
"জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় আমরা দেশব্যাপী এ ধরনের অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছি। জব্দকৃত পণ্যের অনেকগুলোর গুণগত মান হয়তো ঠিক ছিল, কিন্তু সেগুলো সরকারকে কোনো রাজস্ব না দিয়ে বাজারে ছাড়া হয়েছিল। পাশাপাশি বেশ কিছু বিদেশি সিগারেট চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি রোধে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান আগামীতেও চলমান থাকবে।"
তামাকজাতীয় পণ্য ধ্বংসের এই কার্যক্রমে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন,কাজিয়া সুলতানা (ডেপুটি কমিশনার, কাস্টমস এক্সাইস ও ভ্যাট বিভাগ, ধামরাই),মোসা: জেসমিন আক্তার (সহকারী পরিচালক, ঢাকা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর),মো: মাহবুব-উল-আলম (সহকারী কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়)
মো: শহিদুল ইসলাম (ওসি-তদন্ত, ধামরাই থানা)
মো: গোলাম নবী (পৌর নির্বাহী অফিসার, ধামরাই) এবং ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের একটি দল।
Copyright © 2026 Protidiner Savar. All rights reserved.