প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১৩, ২০২৬, ১:৩২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২৬, ৯:৩১ পি.এম
রমজানে ধামরাইয়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ জনগণ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

রমজানে ধামরাইয়ে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ জনগণ।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে ধামরাই বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। সবজি, ডাল, চিনি, তেল, ছোলা ও খেজুরসহ অধিকাংশ পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
ক্রেতাদের অভিযোগ, কার্যকর বাজার মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় পাইকারি পর্যায়েই দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
এ পরিস্থিতিতে বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা, যাতে রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারেন। আজ সকালে ধামরাই বাজারে জীবন চৌধুরী একজন ক্রেতা বলেন, সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে রোজার মাস শুরু হলে দ্রব্যমূল্যের দাম অর্ধেক পর্যন্ত নেমে আসে আর আমাদের এই বাংলাদেশে অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম দ্বিগুণ করে ফেলে যা খুবই দুঃখজনক।
বাজার ঘুরে আরো দেখা যায়, দেশীয় ফল কলার ডজনপ্রতি দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। তরমুজের মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও আকারভেদে কেজিপ্রতি দাম চাওয়া হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা। পেয়ারার দাম বেড়ে আকারভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। আর আকারভেদে প্রতিটি আনারস ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিদেশি ফলের মধ্যে রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে খেজুর, মাল্টা ও আপেলের। এর মধ্যে মাল্টা ও আপেলের দাম বেড়েছে। মাল্টার দাম কেজিপ্রতি বেড়ে ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর আপেলের কেজি প্রকারভেদে ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা। দেশি পেঁপের দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে।
এ সময় সাধারণ জনগন দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধিসহ ভোক্তা অধিকার কর্তৃক বাজারে অভিযানের দাবি জানান।
Copyright © 2026 Protidiner Savar. All rights reserved.